Monday, 29 April 2013

আমি শাহানার ছেলে; আলতাব আলির ছেলে!!

  • আমি শাহানার ছেলে; আলতাব আলির ছেলে!!
  • দেখ,দেখ, এই ভবনডাই মোদের বাপ-মায়ের কবর সাভারের ডেথ প্লাজা,
  • এইখানে মোদের বাপ্জী মরে, এইখানে মোদের মা,
  • কাঁদছিস তোরা? কি করিব, পরান যে মানে না!
  • সেই সকালে বাপ মোর যেতে যেতে বুক জড়ায়ে কহিল মোরে কোলে তুলি,
  • বাপজান আমার,কি আনিব তোমার জন্য দিন শেষে কামলা খাঁটি?
  • নেচে নেচে কহিলাম তারে যা কিছু আন,ঘরে ফিরতে করোনা কিন্তূ,দেরি।
  • কাঁদছিস তোরা? কি করিব,পরান যে মানে না!
  • মা আমার,কেন যেন কত ব্যথা পাইত প্রতিদিন কামে ছাড়িয়া যাইতে মোরে!
  • ব্যথাতুরা সেই হতভাগিনী মরিবার কালেও আমার জন্য বেঁচে থাকতে চায় বলেছিল জনে জনে।
  • কাঁদছিস তোরা? কি করিব,পরান যে মানে না!
  • বাপ-মা মোদের কাম করিত কলুর ছেলে চামারের কসাইখানায়,
  • ডেকে নিয়েছিল কসাই সেদিন বেতন দেবে এই আশায়।
  • এই ভাবে সেদিন দিয়েছিল বেতন কত শত জনে,
  • জানিত কি তারা ফিরিবেনা আর কখনো আপনজনের তরে।।
  • কাঁদছিস তোরা? কি করিব,পরান যে মানে না!
  • বড় ব্যথা পাই দুনিয়াতে মোর মা বলিতে কেহ নাই;
  • বড় ব্যথা পাই দুনিয়াতে মোর বাপ বলিতে কেহ নাই।।
  • কাঁদছিস তোরা? কি করিব, পরানের ব্যথা মরে না কো সে যে কেঁদে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে।

Tuesday, 16 April 2013

তালেবান,রাজাকার সমার্থক শব্দ দু'টির ব্যাবহারিক/ প্রায়গিক মিল এবং অমিল!

  • আগেই বলে নেই কারো কারো কাছে লিখাটির শব্দচয়ন,ভাব মগবাজারি ফ্লেভারে মনে হতে পারে।অবশ্য বরাবরের  মত হজম শক্তিতে দুর্বল (নাস্তিক) সম্প্রদায়ের বদহজম হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছিনা! বলে রাখি লেখাটি  নিতান্তই আমার মোটামাথার বিক্ষিপ্ত,অগোছালো কিছু আনাড়ি চিন্তা। শব্দ দু'টির সমার্থকতা/প্রায়গিক মিল এবং অমিল আরো গবীরভাবে বুজার/ জানার দায়িত্ব আপনার নিজের।আমি শুধু আপনার চিন্তার খোরাক যোগাব। আজ বিশ্বের প্রত্যেকটা জায়গায়  মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর জুলুম নির্যাতন নতুন কিছু নয়। এর কারন যতটা না মুসলিম হওয়া তার চেয়ে  ইসলাম প্রতিষ্টার কথা বলা বড় কারন। ইসলামপন্থীদের নির্মুলের চেষ্টার বর্তমান আলোচিত অতি পরিচিত শব্দ দূ'টির সমার্থকতা যাহা লাউ তাহাই কদু এর মত। দির্ঘ সময় ধরে 'তালেবান' শব্দ দ্বারা যেভাবে বিশ্বের সকল সম্প্রদায়ের কাছে মুসলমানদেরকে একটি আতংকিত নাম হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে বাংলাদেশে সেই কাজটি 'রাজাকার' শব্দ দ্বারা চলছে... এবার আসুন আমেরিকান স্টাইলে 'তালেবান' আর আওয়ামি বাংলা স্টাইলে 'রাজাকারের' মধ্যে কিছু মিল এবং অমিল। বলে রাখি এখানে কে কাকে অনুসরন করছে আমি হলফ করে বলতে পারি পদ্মখেকো আবুল মাল স্টাইলে এর উত্তর হবে অবশ্য আমেরিকা আওয়ামিলিগকে অনুসরন করছে!!

  • ব্যবাহারিক/প্রায়োগিক মিল এবং অমিলঃ 

  •  মিল...
  • বিশ্বের কোথাও বোমা ফাটিয়ে মানুষ হত্যা করে 'তালেবানের' নাম ধরলে সাত খুন মাফ করিয়ে নেওয়া যায় ;আওয়ামীলীগ কোন হত্যাকাণ্ড ঘঠালে তা সহজেই 'রাজাকারের' নামে সমস্বরে জিকির করলে সেটা মাফ করিয়ে নেওয়া যায়।

  •   আমেরিকা কোন মুসলিম দেশ দখলের আগে 'তালেবান', অবৈধ মারনাস্ত্র ইত্যাদি জুজুর ভয় দেখিয়ে কাজ আদায় করে যদিও  পরবর্তিতে কোন অস্ত্র পায়না এবং তার জন্য ক্ষমাও চায়। আবার ইসরাইলের সকল অবৈধ অস্ত্রকে বৈধতা দিচ্ছে। আওয়মিলিগ ঠিক সেরকমভাবে ইসলামপন্থীদেরকে কোন  প্রমানছাড়াই  জঙ্গি,পাথরকে বোমা আর ছাত্রলিগের প্রকাশ্য অস্ত্রবাজিকে প্রশ্রয় দিয়েই যাচ্ছে। আর এ  সকল করছে আমেরিকার মত ওদের দালাল মিডিয়া দ্বারা।
  • আমেরিকার কোন সাধারন নাগরিক অথবা সৈন্য সন্ত্রাসি আক্রমণে মারা গেলে 'তালেবানের' উপর দোষ চাপিয়ে সারা বিশ্ব চোখের জলে ভেসে যাওয়ার উপক্রম হয়। মানবতা হুমকির মধ্যে পড়ে যায়!(সদ্য আমেরিকার বোস্টনে ম্যেরাথন ব্লাস্ট উদাহরণ হিসেবে ধরা যেতে পারে); আওয়ামিলিগ অথবা আওয়ামিলিগের দোষর কোন  নাস্তিক সন্ত্রাসি কতৃক আহত অথবা নিহত হলে 'রাজাকারদের' উপর দূষ চাপিয়ে তাকে শহীদ বলে আখ্যায়িত করা হয় অথবা  হায় ফটিকছড়ি! হায় ফটিকছড়ি! বলে ফটিকছড়িকে কারবালা ঘোষণা করা হয়! 

    • অমিল ......

    • তালেবানের জন্ম ২০০১ সালে; রাজাকারের জন্ম ১৯৭১ সাল।

    •  তালেবানী ফোবিয়ার জন্মদাতা আমেরিকা ; রাজাকারী ফোবিয়ার জন্মদাতা আওয়ামিলিগ। 

      এ ছাড়াও আরো কিছু বিষয়ে আমেরিকান স্টাইল এবং বাংলা আওয়ামি স্টাইলের মিল যেমনঃ 

  • বিশ্বের কোথাও কোন মুসলমান আক্রান্ত হলে মানবাধিকারের ফেরিওয়ালাদের কান এবং চোখকে  বিশ্রামে রাখা হয় ; বাংলাদেশেও আওয়ামি অথবা আওয়ামি পুলিশলীগ কতৃক ইসলামপন্থিদের গণহারে হত্যা করলে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়না আবার এরকমও জোকস শুনা যায় ওরা পুলিশের সাথে মারামারিতে যখন পারেনা তখন লজ্জায় নাকি নিজেরা আত্নহত্যা করে ফেলে!! what a mock!!
  •  মালালারা নোবেল প্রাইজ পায়... আর শাহবাগি নাস্তিকেরা ফ্রি বিরিয়ানিসহ সোনাগাওয়ে শয্যাসঙ্গিসহ আমোদ- প্রমোদের সুযোগ পায়। 
  • এ সব অন্যায় কাজ জায়িজ  করিয়ে নিতে কেউ বাধা হয়ে দাড়ালে  বিভিন্ন ছলাকৌশলে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। যেমনঃ ইউরুপের কোন কোন দেশে ইরানের প্রেস টিভি নিষিদ্ধ ...বাংলাদেশে আমার দেশ, চ্যেনেল১, সোশ্যালমিডিয়ায় বাঁশেরকেল্লা, সোনারবাংলাদেশ ব্লগ নিষিদ্ধ ।

  

  • ইউরুপের/আমেরিকার কোথাও শুধু নামায/ইবাদাত করতে চাইলে অনেকক্ষেত্রে খুব উৎসাহী হয়ে  নামাযের ব্যাবস্থা করে দেবে আর যদি বলেন  আমি নিজেও পড়ব অন্যদেরকে সেই দাওয়াতও দিতে চাই তাহলে কপাল খারাপ হতে কয়েকসেকেন্ডও লাগেনা;  বাংলাদেশেও ইসলাম প্রতিষ্টার কথা বললে সেটা মধ্যযোগীয় আবদার এবং নির্যাতনের স্টিম রোলার চলতে বেশিক্ষন লাগেনা। 

 

  •  এইভাবে কেউ চিন্তা করলে তাকে তালেবানের দোষর হিসেবে ধরে আবু গারিবে থ্যেরাপির  ব্যবস্থা করা হয়(পাকিস্থানের আফিফা সিদ্দিকি) আর বাংলাদেশে করলে রাজাকারের  পেইড চর হিসেবে আখ্যায়িত করে রিমান্ড মোবারক দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়(বাংলাদেশের মাহমুদুর রাহমান)।

  • অবোধের মত বিশ্ব মুসলিমরা  মোড়লরা যেভাবে সবজেনেও  ললিপপ মুখে দিয়ে নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত;  বাংলাদেশের মুসলিম সমাজ সব অন্যায় দেখেও নিজের পেঠ নিয়েই ব্যস্ত এবং এও বলে এগুলো সবই পলিটিক্স; আমার খাই দাই কাজ নাই?? 

    আমার কথা এখানেই শেষ এবার আপনার প্রমানের পালা যে, এগুলোর একটিও মিথ্যা! 
 

  

Sunday, 14 April 2013

আমাদের নবীপ্রেমঃ নাস্তিকদের চুলকানি

  •  
  • দোনিয়ার শুরু থেকে নাস্তিকেরা/মুশরেকেরা নবী/রাসুলদের সাথে গুন্ডামি/মাস্তানি করে আসছে কিন্তূ, প্রত্যেক সময়েই আল্লাহর সাহায্যে এই 'ছাগু' সম্প্রদায়ের (দুঃখিত,ওদের বিকল মগজ টান্ডা রাখতে নবীপ্রেমিদের 'ছাগু' বলে নিজেদের সূখানোভূতিতে একটূ  হলেও পানি ঢালতে চেষ্টা করে!) নবীদের হাতে তুলোধোনা হয়ে আসছে। 
  • কিন্তূ,ওদের বাপের (শয়তান) অর্ডার মানুষকে সত্যচ্যুত করতেই হবে গান বাজনা,অশ্লীলতা, ঢং দ্বারা, স্বীয় অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী নিয়ে, তাদের অর্থ-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে শরীক হয়ে এবং তাদেরকে মিথ্যা ছলনা /প্রতিশ্রুতি দিয়ে'(আল কোরা'ন ১৭ঃ৬৪)।
  •  
  • একাজে বাংলাদেশী শয়তানগুলো আসল শয়তান থেকে কিঞ্চিৎ এক চামচ বেশী কৌশলি। কথা শুনলে মনে হয় এইমাত্র কিসাস, মদিনা সনদ,শয়তানি কাজে মরলে শহীদ, প্রভৃতি বিষয়ে মদিনা থেকে পি এইচডি করে সদ্য ফারিগ হয়ে আসছে আর এগুলা দিয়েই নবীপ্রেমিদের কব্জা করে ফেলবে! আবার কখনো গয়া-কাশি/ হিন্দুস্তান থেকে উমরাহ/জিয়ারত করে সিদূর মুছে মাথায় কাপড় তাসবিহ হাতে বক ধার্মিক সেজেও শয়তানের উদেশ্য বাস্তবায়ন করতে যেয়ে বিনোদন দেয়।বলে কিনা ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম কাঠমোল্লাদের কারনে তারা নাকি মাঝে মাঝে শরমে পড়ে যায়!! চুলকানির ক্ষতটা কত গবীর এইখানেই বুঝা যায়।
  •  
  • যোগে যোগে নবী/রাসুলেরা তাদের জীবনকে ১০০% ঝুকিতে ফেলেও নমরুদ,ফেরাউন,আবু জাহেলদেরকে পরাজিত করে আমাদের কাছে আল্লাহর একত্ববাদের দাওয়াত পৌছিয়েছেন। দোনিয়ার আন্ধার,জাহান্নামের আন্ধার  থেকে বাঁচিয়েছেন।
  •  
  • এটাই স্বাভাবিক আমরা নবীপ্রেমিরা নবীদের নিয়ে টাঠ্বা, বিদ্রোপ, নবীর সুন্নাত নিয়ে হাসি তামাশা নবীদের উত্ত্বরসূরি আলেমদের হত্যার ষড়যন্ত্র কিছুই মেনে নেবনা। আমরা বলবই আরেক নবীপ্রেমি সাহাবী হযরত খূবাইব আল আদ্বি রাঃ এর মত যখন তাকে কোরাইশরা ফাসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে জ্যেন্ত শরীর থেকে একেকটি অঙ্গ কেটে নিচ্ছিল আর বলছিল এখনো তুমি যদি বল তোমার জায়গায় মোহাম্মদ সঃ কে রাখা হোক আর তোমাকে মুক্তি দেয়া হোক তিনি বলছিলেনঃ "আমার পরিবর্তে মোহাম্মদ সঃ কে ফাসি দেয়া হোক আর আমি হেঠে বাড়ি চলে যাই তাতো দূরের কথা হাঠতে পথে মোহাম্মদের সঃ পায়ে একটা সামান্য কাঠাও লাগুক তাও আমি সহ্য করবনা!!' সুবহানাল্লাহ!
  •  
  • এই যখন নবীপ্রেমিদের শপথ নাস্তিক্যবাদি শয়তানের চেলারা, তোমরা কিসের আশায় এখনো নবী ও নবীপ্রেমিদের সাথে মশকরায় লিপ্ত আছ!!

Saturday, 6 April 2013

আওয়ামিলিগাশ্রিত ইসলাম বিরোধী শক্তি থাকতে বাংলাদেশে উদীয়মান ৩য় শক্তি 'ইসলামিক বিপ্লবের' পথ কতদূর?? (বর্তমান বিশ্ব ইসলামি আন্দোলনের অভিজ্ঞতার আলোকে একটি বিশ্লেষণ)


  • সাদা বাহিনী দেখে ঢাকাবাসীর সাথে বিশ্ববাসী যা দেখল তাতে দেশীয় নাস্তিক এবং তাদের প্রতিবেশী দাদারা শুধু নাখোশই না বরং কিছুটা শঙ্কিত এবং খামুশ! বাংলাদেশে ইসলাম্পন্থিদের এ শক্তি  বিশ্ববাসি আরেকবার  দেখেছিল  তাছলিমা নাছরিনকে বিতাড়নের সময়।এই মুহূর্তে  নাস্তিকদের  গুরু Richard Dawkins এর মৃত্যুর ক্ষতটা নাস্তিকদের কাছে  আবার নতুন করে কাঁচা হল। গুরু বেঁচে থাকলে শিষ্যরা বাংলাদেশ নিয়ে আলাদা করে কোন সুত্রের জন্য গবেষণার অনুরোধ করতে পারত। নাস্তিকরা নিজেদেরকে কিছুটা এতীম মনে করে অসহায়ত্ব অনুভব করছে।
  • যাইহোক, ৯১% মুসলামনের এই দেশে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্টা আমেরিকা/ ইউরুপের কোন দেশের মত কঠিন হবেনা এটা এখনো ইসলামপন্থিদের বোধগম্য না হয়ে থাকলে একবার আমেরিকায় ঘুরে আসার আমন্ত্রণ থাকল।৬ এপ্রিল থেকে  নাস্তিকেরা যে মেসেজ পেল তাতে তারা এটা নিয়ে তাদের প্রতিবেশী দাদাদের সাথে খুব দ্রুত পরামর্শ করে পরবর্তী কৌশল ঠিক করে নেবে। কিন্তূ,ইসলামপন্থীদের সুদূরপ্রসারী চিন্তা বা পরিকল্পনা কি?সামনের পরিকল্পনা কি বা আধৌ কোন পরিকল্পনা আছে?  না কি এখানেই ইতি?এই কয়েকটা হরতাল,অবরোধ দিলাম নাস্তিকরাত আপাতত থেমে যাবে অথবা থেমে গেল আর দরকার কি? যেহেতু  ঠিকমত মসজিদে আযান দিয়ে নামাজ পড়তে পারছি! এভাবে রাস্তায় বেরিয়ে নাস্তিকদের হুমকি দিতে পারছি! মধ্যে-মধ্যে নাস্তিকদের এরকম আস্ফালন দেখে নিজের ঈমান একটু জালাই করে নিলাম; আর কি?
  • কিন্তূ, এই দেশে আওয়ামীলীগের মত ইসলামবিরোধি শক্তি যতদিন থাকবে এভাবেই কখনো যদ্ধাপরাধি কখনো গনজাগরণ মঞ্চ বানিয়ে  ধাঁধা লাগিয়ে ইসলাম্পন্থিদের নির্মুলের চেষ্টায় লিপ্ত থাকবে ।বিশ্ব ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাস বলছে সময় যত গড়াবে ইসলাম বিরোধি এ শক্তি আরো শক্তিশালী হবে। আজ থেকে ১০ বৎসর আগের   সংখ্যার সাথে এদের এখনকার সংখ্যার মিল খুব বড় না হলেও অনেক বড়। আগে কখনো এরা প্রকাশ্যে নাস্তিক বলার সাহস করে নাই কিন্তু,এখন করে এবং করবে। সময় যত গড়াবে এরা  সমাজে,প্রশাসনে সর্বত্র এদের বিচরন আরো শক্তিশালী হবে। কার স্বার্থে এবার আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় এসে ৫৭জন মেধাবী এবং দেশপ্রেমী অফিসার প্রথমেই মেরে ফেলে?এরপর কিভাবে আস্তে আস্তে প্রশাসনের সবজায়গায় ডানপন্থীদের পরিবর্তন করে তাদের মানুষ কয়েকস্তর করে ফেলেছে।আজ মিডিয়া কিভাবে ইসলামপন্থীদের নাকানিচুবানি খাওয়াচ্ছে।  সবগুলা মিডিয়াই তাদের দখলে। কার স্বার্থে সরকারের মধ্যে সমগ্র বাংলাদেশে যাদের একটাও আসন নাই বরং নির্বাচনে জামানত হারায় এরকম লোকেরা আজ দাপুটে মন্ত্রি! সরকার পরিবর্তনের আরো দু/একটি টার্ম পেরিয়ে গেলে এরা আরো বেশি শক্তিশালী হবে। মিশরের দিকে যদি থাকাই সেখানে  দীর্ঘদিন থেকে সেকুলার শাসিত সরকার থাকায় মুসলিম সভ্যতার অন্যতম ভূমিতে আজ ইসলামপন্থীরা কঠিন পরিস্তিতির মুখোমুখি। সেখানে সর্বত্র নাস্তিকেরা তাদের জায়গা শক্ত করে নিয়েছে। এখন ইসলাম্পন্থি সরকারকে এরা জোরপুর্বক ক্ষমতা সরিয়ে দিতে চাচ্ছে।
  • আর কত অপেক্ষা?কত দূর কাঙ্ক্ষিত সেই তৃতীয় শক্তি  ইসলামিক বিপ্লবের? না কি সেই সময়টা এখনো আসেনি ? সময়টা অবশ্যই এখনি কারন,এই সুযোগ সব সময় আসেনা। সকল ইসলামপন্থিদের দরকার সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে এক রশ্মিতে এসে আল্লাহর রজ্জুকে উঁচুতে ধরে সমগ্র বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলা।
  • ঐক্যের প্রশ্নে এখন জামায়াতি-ইসলামের যেমন অনেক ছাড় দেওয়া উচিত তেমনই সমমনা সকল ইসলামী দলকেও বাস্তবতা বুঝে অনেক ছাড় দিতে হবে। ইসলাম প্রতিষ্টার লড়াইয়ে যদি,সেই আগের মতই মনে করতে থাকেন জামায়াতের সাথে কিসের ঐক্য তাহলে বাস্তবতা হল জামায়াতি-ইসলাম ছাড়া আওয়ামীলীগের মত একটি ইসলামবিরোধি দল এ দেশে থাকতে ইসলাম প্রতিষ্টার আশাটা অলৌকিক কিছু ছাড়া সম্ভব না।
  • আমাদেরকে খুব কম সময় নিয়েই একটিমাত্র প্ল্যাটফর্মে এসে এ ক্ষেত্রে আমাদের করনীয় কি তা নিয়ে খুব দ্রুত এবং কৌশলী হয়ে এখনি এগিয়ে আসতে হবে। অবসান ঘঠাতে হবে জামায়াতি-ইসলাম, খেলাফতে ইসলাম, জমিয়তে ইসলাম নামক বিভক্তি।আমরা যদি সত্যিই ইসলামি রাষ্ট্র চাই;  মুছে দিতে হবে সকল ভেদাভেদ।  এদেশের সাধারণ মানুষ কি চায় তা নতুন করে গবেষণার দরকার নেই।এই মুহূর্তে নিজেদের মধ্যে বিভেদ-বিদ্বেষ, ছোটখাট মতভিন্নতা ভুলে গিয়ে একটিমাত্র প্ল্যাটফর্মে আসাই হবে বিজয়ের একমাত্র চাবিকাঠি। যেমনটি মিশরে সকল ইসলামী দল মিলে ৪০বৎসরের প্রতাপশালী শাসকের সর্বশক্তি উপেক্ষা করে ইসলামের চূড়ান্ত বিজয় ছিনিয়ে এনে সরকার গঠন করেছে।তারা যদি তাহরির স্কয়ার বানাতে পারে আমরা কেন পারবোনা??  
  • অন্যথায় যেরকম কান ধরে টান দিলে মাথা চলে আসে সেরকমই হবে।চিন্তা করে দেখুন সকল ইসলামপন্থি এক হয়ে বৃহত্তর ঐক্যের ডাক দিলে ইসলামী আন্দোলনটা কোথায় চলে যেতে পারে!!মিশরে কি সকল ইসলামি দল মিলে সেকুলারদের হঠিয়ে সরকার গঠন করে নাই? এখনি সুযোগ!! এই সুযোগ তৈরি হতে হয়ত আরো কয়েকযোগ লেগে যেতে পারে!!আজ এটা খুব-ই পরিষ্কার হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ ছাত্র-জনতা ইসলামের জন্য যে কারো ডাকে ঝাপিয়ে পড়তে প্রস্তুত!!
  •  সেকুলার রাষ্ট্র চান না; একটি আধুনিক যোগপযোগি ইসলামী সরকার চান,এমন প্রত্যেকটা মানুষের উচিত যার যার অবস্থান থেকে এই একটি দাবি নিয়ে আলেম-সমাজ সহ জনসাধারণ্যে এই দাবির পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে  সিরিয়াসলি সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।                                        
  • অন্যথায়,আওয়ামীলীগের মত একটা দল এ দেশে যতদিন থাকবে  ইসলাম প্রতিষ্টার এ পথ শুধু অন্তহীন পথের দিকেই এগোবে! 
    হে নবী, আপনি মুসলমানগণকে উৎসাহিত করুন জেহাদের জন্য। তোমাদের মধ্যে যদি বিশ জন দৃঢ়পদ ব্যক্তি থাকে, তবে জয়ী হবে দু’শর মোকাবেলায়। আর যদি তোমাদের মধ্যে থাকে একশ লোক, তবে জয়ী হবে হাজার কাফেরের উপর থেকে তার কারণ ওরা জ্ঞানহীন।আল কোর'আন8:65